উৎসর্গ
=======
শ্রীল প্রভুপাদের করকমলে
=======
শ্রীল প্রভুপাদের করকমলে
যিনি সূর্যের মত উজ্জ্বল ভগবদ্ গীতার যথাযথ ভাষ্য
আধুনিক মানব-সমাজকে দান করেছেন.....
অর্জুনের তেজে পৃথিবী ব্যাপী
মোহ, অজ্ঞানতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন......
ভগবদ্ গীতার অপব্যাখ্যা সম্পূর্ণ খন্ডন করে ধর্ম, ভগবান, জীবন ও জগৎ সম্বন্ধে সমস্ত সংশয়ের নিরসন করেছেন.....
ইন্দ্রিয়ভোগভিত্তিক জড় সভ্যতার কুপরিণাম থেকে
মানব-সমাজকে রক্ষা করতে সূচনা করেছেন
মহান এক পারমার্থিক বিপ্লবের.....
রচনা করেছেন পৃথিবীর ভবিষ্যৎ সভ্যতার এক
উজ্জ্বল রূপরেখা........
আধুনিক মানব-সমাজকে দান করেছেন.....
অর্জুনের তেজে পৃথিবী ব্যাপী
মোহ, অজ্ঞানতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন......
ভগবদ্ গীতার অপব্যাখ্যা সম্পূর্ণ খন্ডন করে ধর্ম, ভগবান, জীবন ও জগৎ সম্বন্ধে সমস্ত সংশয়ের নিরসন করেছেন.....
ইন্দ্রিয়ভোগভিত্তিক জড় সভ্যতার কুপরিণাম থেকে
মানব-সমাজকে রক্ষা করতে সূচনা করেছেন
মহান এক পারমার্থিক বিপ্লবের.....
রচনা করেছেন পৃথিবীর ভবিষ্যৎ সভ্যতার এক
উজ্জ্বল রূপরেখা........
শ্রীমদ্ভগবদ্ গীতা কিভাবে আয়ত্ত করবেন?
|| মঙ্গলাচরণ ||
ওঁ অজ্ঞানতিমিরান্ধস্য জ্ঞানাঞ্জনশলাকয়া।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।
শ্রীচৈতন্যমনোহভীষ্টং স্থাপিতং যেন ভূতলে।
স্বয়ং রূপঃ কদা মহ্যং দদাতি স্বপদান্তিকম্।।
চক্ষুরুন্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।
শ্রীচৈতন্যমনোহভীষ্টং স্থাপিতং যেন ভূতলে।
স্বয়ং রূপঃ কদা মহ্যং দদাতি স্বপদান্তিকম্।।
অজ্ঞতার গভীরতম অন্ধকারে আমার জন্ম হয়েছিল এবং আমার গুরুদেব জ্ঞানের
আলোকবর্তিকা দিয়ে আমার চক্ষু উন্মীলিত করেছেন। তাঁকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ
প্রণতি।
শ্রীল রূপ গোস্বামী প্রভুপাদ, যিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অভিলাষ পূর্ণ করবার জন্য এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন, আমি তাঁর শ্রীপাদপদ্মের আশ্রয় লাভ কবে করতে পারবো?
শ্রীল রূপ গোস্বামী প্রভুপাদ, যিনি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর অভিলাষ পূর্ণ করবার জন্য এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন, আমি তাঁর শ্রীপাদপদ্মের আশ্রয় লাভ কবে করতে পারবো?
বন্দেহহং শ্রীগুরোঃ শ্রীযুতপদকমলং শ্রীগুরূন্ বৈষ্ণবাংশ্চ
শ্রীরূপ সাগ্রজাতং সহগণরঘুনাথান্বিতং তং সজীবম্
সাদ্বৈতং সাবধূতং পরিজনসহিতং কৃষ্ণচৈতন্যদেবং
শ্রীরাধাকৃষ্ণপাদান্ সহগণললিতা-শ্রীবিশাখান্বিতাংশ্চ।।
আমি আমার শ্রীগুরুদেব ও সমস্ত বৈষ্ণববৃন্দের পাদপদ্মে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি
নিবেদন করি। আমি শ্রীরূপ গোস্বামী, তাঁর অগ্রজ শ্রীসনাতন গোস্বামী,
শ্রীরঘুনাথ দাস, শ্রীরঘুনাথ ভট্ট ও শ্রীল জীব গোস্বামীর চরণকমলে আমার
সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আমি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য, শ্রীনিত্যানন্দ,
শ্রীঅদ্বৈত আচার্য, শ্রীগদাধর, শ্রীবাস এবং তাঁদের অনুগামী ভক্তবৃন্দের
পাদপদ্মে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আমি শ্রীমতী ললিতা-বিশাখা সহ
শ্রীমতী রাধারাণী এবং শ্রীকৃষ্ণের চরণকমলে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।
হে কৃষ্ণ করুণাসিন্ধো দীনবন্ধো জগৎপতে।
গোপেশ গোপিকাকান্ত রাধাকান্ত নমোহস্তু তে।।
হে আমার প্রিয় কৃষ্ণ! তুমি করুনার সিন্ধু, তুমি দীনের বন্ধু, তুমি সমস্ত
জগতের পতি, তুমি গোপীদের ঈশ্বর এবং শ্রীমতী রাধারাণীর প্রেমাস্পদ, আমি
তোমার শ্রীপাদপদ্মে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।
বৃষভানুসুতে দেবি প্রণমামি হরিপ্রিয়ে।।
শ্রীমতী রাধারাণী, যাঁর অঙ্গকান্তি তপ্তকাঞ্চনেরর মতো এবং যিনি বৃন্দাবনের
ঈশ্বরী, যিনি মহারাজ বৃষভানুর দুহিতা এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রেয়সী, তাঁর
চরণকমলে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি জানাই।
পতিতানাং পাবনেভ্য বৈষ্ণবেভ্যো নমো নমঃ।।
সমস্ত বৈষ্ণব-ভক্তবৃন্দ, যাঁরা বাঞ্ছাকল্পতরুর মতো সকলের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ
করতে পারেন, যাঁরা কৃপার সাগর এবং পতিতপাবন, তাঁদের চরণকমলে আমি আমার
সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।
ভক্তাবতারং ভক্তাখ্যং নমামি ভক্তশক্তিকম্।।
ভক্তরূপ-শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু, ভক্তস্বরূপ-নিত্যানন্দ প্রভু, ভক্তাবতার-
অদ্বৈত আচার্য প্রভু, ভক্ত-শ্রীবাস ঠাকুর, ভক্তশক্তি- শ্রীগদাধর পণ্ডিত এই
পঞ্চতত্ত্বাত্মক শ্রীকৃষ্ণের চরণকমলে প্রণতি নিবেদন করি।
কৃষ্ণায় কৃষ্ণচৈতন্যনাম্নে গৌরত্বিষে নমঃ।।
আমি পরমেশ্বর ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই, যিনি
স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ এবং অন্যান্য অবতার অপেক্ষা উদার, তিনি অত্যন্ত দুর্লভ
কৃষ্ণপ্রেম প্রদান করেছেন, তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি জানাই।
শ্রীঅদ্বৈত গদাধর শ্রীবাসাদি গৌরভক্তবৃন্দ।।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য, প্রভু নিত্যানন্দ, শ্রীঅদ্বৈত আচার্য, শ্রীগদাধর এবং
শ্রীবাস আদি গৌরভক্তবৃন্দের চরণকমলে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
Note :
Work in Progress
This site is not completed at this moment .
